BLACK blog এ আপনাকে স্বাগতম! আপনি হতে পারেন BLACK blog পরিবারের নিয়মিত একজন সদস্য। আপনার লেখা প্রকাশ করতে পারেন আমাদের যেকোন বিভাগে। আমাদের বিভাগ সমূহঃ " পৃথিবী আজব ঘটনা, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, গুনিজন কহেন, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা" যে কোন বিষয় সম্পর্কে। ধন্যবাদ - BLACK iz Limited এর পক্ষ থেকে! অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ,  পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, গুনিজন কহেন, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা

Category Archives: প্রেমে-ভালবাসার গল্প

নতুন প্রেমে ডুবছে নার্গিস !

নতুন প্রেমে ডুবছে নার্গিস

বলিউড অভিনেত্রী নার্গিস ফাকরি এবার নতুন প্রেমে ডুবছে ।প্রেমিকের সাথে খোলামেলা লাইন মারছেন তিনি। সম্প্রতি নতুন প্রেমিকের সাথে লাইনমারা অবস্থায় ক্যামেরার সামনে পরে জান এই অভিনেত্রী । নতুন প্রেমে ডুবছে নার্গিস তার প্রেমিক আর কেউ না, ‘স্লামডগ মিলেনিয়ার’ খ্যাত অভিনেতা দেব পাটেল। এর আগে  ফ্রিদা পিন্টোর সাথে প্রেম  জড়িয়েছিলেন দেব। কিন্তু তাদের প্রেমটা ভেঙে যায়।

ভালোবাসার গল্প : শেষমানব

ভালোবাসার গল্প : শেষমানব

ভালোবাসার গল্প : শেষমানব লিখেছেন: মারুফা তামান্না খুব ভোরে উঠে দিম্যান ফড়িং গুনতে শুরু করেছে। ফড়িং গুলো রং বেরঙের। লাল ফড়িঙ এর আধিক্যতা আজও বেশী। লাল রং দিম্যান একটুও সহ্য করতে পারেনা।মানুষের রক্তের রং লাল।তার মনে হচ্ছে ফড়িঙ নয়, রক্তের খেলা জমে উঠেছে। চিৎকার করে শ্যারনকে ডাক দেয় দিম্যান! : শ্যারন!!! হোয়াট দা হেল, হেয়ার!!!?

ভালোবাসার গল্পঃ এক নির্বাসিতার চিঠি

ভালোবাসার গল্পঃ এক নির্বাসিতার চিঠি  লিখেছেনঃ হুসাইন শাখী গাঢ় নীল রঙের মাঝারি সাইজের কার্ড। সাদা, হলুদ, আসমানী রঙের কাগজের ফুলকেটে কেটে বসানো। কিনার ঘেঁষে লাল ফিতে দিয়ে ডিজাইন করা। কার্ডের ভেতরচার লাইনের কবিতা – মেঘের তলে মেঘলা চোখে নদীর টলোমল, মেঘ থেকে আজ আনবি ছেলে? চিকন সুঁইয়ের জল? জানালা দিয়ে বাইরে তাকালো আসিফ । বুক চিরে চেপে

Man Booker Prize পেলেন Flanagan, পুরস্কার ৫০ হাজার পাউন্ড

Man Booker Prize (পুরস্কার) পেলেন Flanagan

চলতি বছর Man Booker Prize পেয়েছেন অস্ট্রেলীয় লেখক রিচার্ড ফ্ল্যানাগেন (Flanagan)। যুদ্ধকালীন ভালোবাসার ঘটনা নিয়ে ‘দ্য ন্যারো রোড টু দ্য ডিপ সি’ (বা the narrow road to the deep north) উপন্যাস লিখে (Flanagan) ফ্ল্যানাগেন সাহিত্যের সম্মানজনক এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ( Man Booker Prize (পুরস্কার) পেলেন  Flanagan ) মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের গিল্ডহলে ২০১৪ সালের ম্যান বুকার

ভালোবাসার গল্প : বিষন্ন শুকতারা

ভালোবাসার গল্প : বিষন্ন শুকতারা   লিখেছেন : নীল অর্ধবৃত্ত মরীচিকায় আধো ঘেরা একটা লোহার তার । আর সেটা থেকে চুয়ে চুয়ে বৃষ্টির পানির ফোটা পরছে। কি চকচকে ও পরিষ্কার দেখাচ্ছিল সেই লোহার তারটাকে পানির ফোটার জন্য, কিন্তু এই পানির ফোটার জন্যই আজ ওটার গায়ে মরীচিকা ধরেছে। বারান্দার অপরিষ্কার চেয়ারটায় বসে ফোটাগুলো গোনার বৃথা চেষ্টা করছিল

স্যামসাং বনাম অ্যাপল, স্যামসাংকে ১১৯ মিলিয়ন ডলার জরিমানা!

অ্যাপলের দুটি প্যাটেন্ট নকল করার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ১১ কোটি ৯৬ লাখ ডলার জরিমানা! অর্থাৎ স্যামসাংকে আবারও ১১৯ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলকে। তিন বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের বিভিন্ন বিষয়ে মামলা চলছে। http://www.technobuffalo.com/wp-content/uploads/2012/11/apple-vs-samsung-court-011.jpg এর মধ্যে ভিডিও আদান প্রদান ও মোবাইলের ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে অ্যাপলের বিরুদ্ধে পেটেন্ট আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে স্যামসাং। স্যামসাং এর দাবী অ্যাপলের আইফোন ফাইভ স্যামসাং গ্লাক্সি-এর ব্লুটুথে আদান প্রদান করার অ্যাপস নকল করেছে। পাশাপাশি আইফোন ফাইভ-এর ক্যামেরার অ্যাপ্স এর আইডিয়াটাও স্যামসাং গ্লাক্সি। ফলে অ্যাপলের আইফোন ফাইভের বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়েছে স্যামসাং। বলা বাহুল্য মোবাইল ফোন কিংবা স্মার্ট ফোন যাই বলি না কেন বিক্রি এবং জনপ্রিয়তার দিক থেকে এখন কোরিয়ার স্যামসাং-ই সবচেয়ে এগিয়ে আছে। অপরদিকে গুগোলের Android এর কল্যানে স্যামসাং-এর স্যামসাং গ্লাক্সিই বলা যায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় হ্যান্ডসেট। http://images.dailytech.com/nimage/US_Apple_v_Samsung_Courtroom_Wide.jpg যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলেরও রয়েছে পন্যের মান নিয়ন্ত্রনের উপর বিশেষ সুনাম এবং পাশাপাশি অ্যাপলের ব্রান্ডিং লেভেলও হাই। অপরদিকে অ্যাপলের রয়েছে নিজেস্ব অপারেটিং সিস্টেম ম্যাক ওস! এদিক থেকে অবস্য ম্যাকই এগিয়ে। http://www.technobuffalo.com/wp-content/uploads/2012/11/apple-vs-samsung-court-001-640x480.jpg শেষে একটা ছবির মাধ্যমে স্যামসাং বনাম অ্যাপল এবং সাথে নোকিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি স্পস্ট করছি। আর সময় পেলে আমার ব্লগ থেকে ঘুরে আসতে ভুলবেন না! আজ এটুকুই মামলার পরবর্তি রায় নিয়ে আবার ফিরে আসব আশা করছি ততক্ষন পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন। http://youngblah.com/wp-content/uploads/2012/09/Apple-Vs-Samsung-Vs-Nokia.jpg বর্তমানে স্যামসাং বনাম অ্যাপল যুদ্ধে যখন পৃথিবী তোলপাড় ঠিক এমন সময় নিরবে নিবৃতে যেন নোকিয়ার সব আয়োজনই ব্যার্থ। অথচ তিন-চার বছর পুর্বেই সিমব্রিয়ান অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে নোকিয়াই ছিল সবার সামনে।

অ্যাপলের দুটি প্যাটেন্ট নকল করার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ১১ কোটি ৯৬ লাখ ডলার জরিমানা! অর্থাৎ স্যামসাংকে আবারও ১১৯ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলকে। তিন বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের বিভিন্ন বিষয়ে মামলা চলছে। এর মধ্যে ভিডিও আদান প্রদান ও মোবাইলের ক্যামেরা

তিনটি অদ্ভুত দু-চক্র যানের আবিস্কার – ভিডিও এবং ছবি সহ বিস্তারিত!

তিনটি অদ্ভুত দু-চক্র যানের আবিস্কার - ভিডিও এবং ছবি সহ বিস্তারিত! স্কুটার বা স্কুটি পৃথিবীর অনেক দেশেই একটা জনপ্রিয় চলাচলের মাধ্যম। এটি বাইকের মতই অনেকটা কিন্তু একটু স্লো এবং শব্দ বেশী করে। সহজ ভাবে বলতে গেলে স্কুটি হচ্ছে বাইকের একটা সংস্করন। স্কুটার বা স্কুটি আমাদের মাঝে ভেসপা নামেও পরিচিত। সম্প্রতি স্যান্স ফ্রান্সিস্কর একটি ছোট মোটর বাইক কোম্পানি লীট মোটরস এমন একটি স্কুটি আবিস্কার করেছে যা বৈদ্যতিক চার্জে চলতে সক্ষম এবং পাশাপাশি বাইক তো বাইকি গাড়ির থেকেও বেশী গতিতে ছুটতে পারবে। পাশাপাশি মালপত্রও অনেক বেশী বহন করতে সক্ষম। https://www.youtube.com/watch?v=nwg3Pieoms4 দ্যা সিটি কার, যদিও নাম কার কিন্তু আসলে কার (গাড়ি) নয়, এটিও এক প্রকার মোটর সাইকেল। এটিও লীট মোটরস নামক কোম্পানিটির আবিস্কার। তবে এই মোটর সাইকেলে বসে রোঁদে পুড়ে মরার ভয় নেই। থাকছে এসি। পাশাপাশি এটিও বৈদ্যতিক চার্জে চলতে সক্ষম এবং গাড়ির মতই দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম। বাইকের সাথে এর মূল মিল হচ্ছে এটিও বাইকের মতই দুই চাকার যান। এই বাইকটি প্রতি ঘন্টায় ১৬০ কিঃমিঃ অতিক্রম করতে পারবে। https://www.youtube.com/watch?v=mY9PV6Xeus0 বাইকের নতুন প্রজন্মের নাম হতে পারে রাইনো। রাইনো নামে দু-চক্র যান বা মোটর সাইকেল হলেও বাস্তবে এর রয়েছে একটি মাত্র চক্র বা চাকা। অদ্ভুত এই আবিস্কারটির সুফলে বাইকারদের জীবন থেকে মুছে যাবে যানজটের সমস্যা, পাশাপাশি পার্কিং সমাস্যা সহ ইত্যাদি। রাইনো হতে পারে বাইকের নিরাপদ সমাধান কারন এর রয়েছে নিজেস্ব ব্যাল্যানসিং সিস্টেম অর্থাৎ রাইনো নামক বাইকটি নিজেই নিজের ব্যালেন্স রাখতে সক্ষম। রাইনো প্রতি ঘন্টায় ২৭ মাইল অতিক্রম করতে সক্ষম। এদিক থেকে অবশ্য রাইনো অন্য বাইকগুলো থেকে অনেক পিছিয়ে। https://www.youtube.com/watch?v=0ihVwAWDPwI তথ্য গুলো সংগ্রহ করতে সাহায্য নিয়েছি বিবিসি টেক, সিএনএন টেক এবং গুগোল.কম। আশা করি সবাই ভাল থাকবেন আজ এতটুকুই আল্লাহ হাফেজ! আমার ব্লগে সময় পেলে ঘুরে আসতে পারেন www.black-iz.com । সবশেষে আরও কিছু আল্ট্রা মডার্ন মোটর বাইকের ছবি শেয়ার করালাম।

আজকের টিউনটিতে আমি ভবিষ্যৎ বিশ্বের অদ্ভুত কিছু টেকনোলোজি নির্ভর বাইক সম্পর্কে আলোচনা করব। আশা করি ভাল লাগবে আমার লিখা “তিনটি অদ্ভুত দু-চক্র যানের আবিস্কার” টিউনটি! স্কুটার বা স্কুটি পৃথিবীর অনেক দেশেই একটা জনপ্রিয় চলাচলের মাধ্যম। এটি বাইকের মতই অনেকটা কিন্তু একটু স্লো এবং শব্দ বেশী করে। সহজ ভাবে বলতে গেলে স্কুটি হচ্ছে বাইকের একটা সংস্করন।

চালকহীন বুদ্ধিমান গাড়ী গুগোলের শ্রেস্ট আবিস্কার, আরেকধাপ এগিয়ে!

অবশেষে গুগোল এর আবিস্কার "Self-driving car" সফলতার সাথে পরীক্ষায় উত্তির্ন হল। শুধু তাই নয় সাথে সাথে ক্যালফর্নিয়া শহরে চলার অনুমতি পেল। ফলে গুগোলের "Self-driving car" বাজারজাত করার ক্ষেত্রে আর বাঁধা রইল না। নিংসন্দেহে "Self-driving car" গুগোলের অন্যতম শ্রেস্ট আবিস্কার! প্রথমেই আরেকটু পরিস্কার করে বলে রাখি Self-driving car-টা আসলে কি, Self-driving car গুগোলের আবিষ্কৃত একটি গাড়ী যা কোন প্রকার ড্রাভার কিংবা চালক বিহীন চলতে সক্ষম। গুগোলের এই চালক বিহীন গাড়ী লেজার টেকনোলোজির মাধ্যমে রাস্তার এবং আঁশে পাশের 3D স্ট্রাকচার তৈরি করে এবং গুগোল ম্যাপ এর মাধ্যমে ডিরেকসন ঠিক করে নিজে নিজেই চলতে পারে। গুগোল এর আবিসকৃৎ "Self-driving car"এর ক্যালফর্নিয়া শহরে অনুমোদন পেতে পারি দিতে হয়েছে ৭০০,০০০ মাইল। তাও আবার শহরের বেস্ততম রাস্তার চালক বিহীন অবস্থায়। "Self-driving car" এখন California, Florida এবং Michigan এর মানুষের কাছে Autonomous car নামেও পরচিত। গুগোল কিছুদিন পুর্বে "Self-driving car" নিয়ে একটি ভিডিও প্রতিবেদনও সম্প্রতি (২৮-এপ্রিল-২০১৪) তাদের YouTube Channel এ প্রকাশ করে। যাতে ধারাবাহিক ভাবে গাড়িটির ভিবিন্ন বিষয় এবং পরিচয় সাধারনের উদ্দেশ্যে তুলে ধরে। ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন এখান থেকে (https://www.youtube.com/watch?v=dk3oc1Hr62g)। আজ এটুকুই আশা করি টিউনটি ভাল লাগছে কস্টে পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ! আল্লাহ হাফেজ সবাই ভাল থাকবেন! ফেসবুকে আমি fb.com/mehedidamenafa এবং আমার পার্সনাল সাইট www.mmm.black-iz.com।

অবশেষে গুগোল এর আবিস্কার “Self-driving car” সফলতার সাথে পরীক্ষায় উত্তির্ন হল। শুধু তাই নয় সাথে সাথে ক্যালফর্নিয়া শহরে চলার অনুমতি পেল। ফলে গুগোলের “Self-driving car” বাজারজাত করার ক্ষেত্রে আর বাঁধা রইল না। নিংসন্দেহে “Self-driving car” গুগোলের অন্যতম শ্রেস্ট আবিস্কার! প্রথমেই আরেকটু পরিস্কার করে বলে রাখি Self-driving car-টা আসলে কি, Self-driving car গুগোলের আবিষ্কৃত একটি গাড়ী

স্যামসাং বনাম অ্যাপল, স্যামসাংকে ১১৯ মিলিয়ন ডলার জরিমানা!

একই সাথে চার্জ হবে ৪০ টি মোবাইল তাও আবার তারহীন উপায়ে!

অ্যাপলের দুটি প্যাটেন্ট নকল করার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ১১ কোটি ৯৬ লাখ ডলার জরিমানা! অর্থাৎ স্যামসাংকে আবারও ১১৯ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলকে। তিন বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের বিভিন্ন বিষয়ে মামলা চলছে। এর মধ্যে ভিডিও আদান প্রদান ও মোবাইলের ক্যামেরা

একই সাথে চার্জ হবে ৪০ টি মোবাইল তাও আবার তারহীন উপায়ে!

একই সাথে চার্জ হবে ৪০ টি মোবাইল তাও আবার তারহীন উপায়ে!

দক্ষিণ কোরিয়ার এক দল উদ্ভাবক এমন একটি যন্ত্র উদ্ভাবিত করেছে যার মাধ্যমে একই সঙ্গে ৪০টি মোবাইল ফোন চার্জ দেয়া যাবে তাও আবার তারহীন উপায়ে। এই যন্ত্রটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে ৪০টি মোবাইল ফোন চার্জ করতে পারে কোন প্রকার তার ছাড়া। তবে কি তারযুক্ত চার্জার এর চার্জিং এর দিন কি শেষ? তারহীন চার্জিং ব্যবস্থা কতটুকু নিরাপদ? এমন প্রশ্ন

চকলেটের কি-বোর্ড, মানুষের তৈরি হাতি এবং আউডির তৈরি বাই-ছাইকেল এবং বিদ্যুৎ বিহীন ছকেট!

আসুন সম্পুর্ন চকলেটের তৈরি এই কি বোর্ডটি আমরা সবাই ভাগ করে খাই তবে স্পেস-বারটা কিন্তু আমার!

আজকের আমার এই পোস্টটি সম্পুর্নই ভিন্ন একটি বিষয়ের উপর, কিছু বিস্ময়কর ছবির পরিচয় খুঁজতে গিয়েই তথ্যগুলো জানলাম ভাল লাগল তাই সকলেরই সাথে শেয়ারও করলাম আশা করি সবার ভাল লাগবে। প্রথমেই আলচনা করব  বেরিয়ার রিফ ন্যাশনাল পার্ক নিয়ে এবং এর পরে আলোচনা করব সম্পুর্ন চকলেটের তৈরি একটি কি-বোর্ড সম্পর্কে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয়তে আলোচনা করব একটি বাই-ছাইকেল

একই সাথে চার্জ হবে ৪০ টি মোবাইল তাও আবার তারহীন উপায়ে!

http://pcskull.com/wp-content/uploads/2013/04/martin-cooper-inventor-of-worlds-first-mobile6.jpgপৃথিবীর প্রথম মোবাইল নিয়ে কিছু কথাঃ Motorola কোম্পানি আজও মোবাইল ফোনের বিজনেস করে যাচ্ছে। আজ প্রায় ৪০ বছর পর আজও Motorola মার্কেটে নিয়ে আসছে তাদের নতুন নতুন মোবাইল ফোন। এই মোবাইলটির ওজন ছিল প্রায় হাজার গ্রামেরও বেশী কিন্তু আফসুসের ব্যাপার ছিল মাত্র ৩০ মিনিট কথা বলার পর ১০ ঘন্টা চার্জ দিতে হত। অর্থাৎ দশ ঘন্টা চার্জ দিয়ে মাত্র কথা বলা যেতে ৩০ মিনিট! পৃথিবীর প্রথম মোবাইল ফোনের জনকঃ Martin Cooper পৃথিবীর প্রথম মোবাইল ফোনের জন্মঃ April 3rd 1973 পৃথিবীর প্রথম মোবাইল ফোনের প্রথম ব্যবহারঃ April 3rd 1973 পৃথিবীর প্রথম মোবাইল ফোনের ব্রান্ডঃ Motorola http://static.ibnlive.in.com/pix/slideshow/04-2013/mobile-phone-turns/main-1-motorola-030413.jpg মাত্র ৪০ বছর আগে আবিষ্কার হওয়া এই মোবাইল নামক যন্ত্রটি আমাদের জীবনের অংশ হিশাবে জায়গা করে নিয়েছে। কিপ্যাড মোবাইল, কুয়ার্টি মোবাইল, স্মার্ট (টাচ) ফোন, ঊইন্ডোজ মোবাইল, অ্যান্ড্রোয়েড মোবাইল সহ প্রতিদিনি রুপ বদলাচ্ছে আমাদের এই ছোট হাতের ডিভাইসটি। notable_phone_sizes_004.jpg আশা করি লিখাটা ভাল লেগেছে। বর্তমানে আমাদের জীবনে বহুল ব্যবহত এমন আরও কিছু যন্ত্রের জন্ম বা আবিষ্কার নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখব ইনশা-আল্লাহ, আশা করি ভাল লাগবে সবার। সে পর্যন্ত ভাল থাকবেন আজ এটুকুই! আল্লাহ হাফেজ! http://culturespike.com/wp-content/uploads/2011/08/News_Mobile_CellPhoneHistory.png পরবর্তিতে ধারাবাহিক ভাবে যে বিষয় সমুহ লিখতে যাচ্ছিঃ • পৃথিবীর প্রথম (কম্পিউটার) মাউস! • পৃথিবীর প্রথম মোটর সাইকেল! • পৃথিবীর প্রথম গাড়ি! • পৃথিবীর প্রথম ক্যামেরা! • পৃথিবীর প্রথম ট্রেন! • পৃথিবীর প্রথম টেলিভিশন! • পৃথিবীর প্রথম ডেস্কটপ কম্পিউটার! সৌজন্যে: Online IT Institute

দক্ষিণ কোরিয়ার এক দল উদ্ভাবক এমন একটি যন্ত্র উদ্ভাবিত করেছে যার মাধ্যমে একই সঙ্গে ৪০টি মোবাইল ফোন চার্জ দেয়া যাবে তাও আবার তারহীন উপায়ে। এই যন্ত্রটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে ৪০টি মোবাইল ফোন চার্জ করতে পারে কোন প্রকার তার ছাড়া। তবে কি তারযুক্ত চার্জার এর চার্জিং এর দিন কি শেষ? তারহীন চার্জিং ব্যবস্থা কতটুকু নিরাপদ? এমন প্রশ্ন

পৃথিবীর প্রথম গাড়ি! – ধারাবাহিক পোস্ট

পৃথিবীর প্রথম গাড়ি! - ধারাবাহিক পোস্ট

পৃথিবীর প্রথম গাড়ির জনকঃ Nicolas-Joseph Cugnot   পৃথিবীর প্রথম গাড়ির জন্মঃ 1769 পৃথিবীর প্রথম গাড়ির প্রথম ড্রাইভারঃ   Bertha Benz পৃথিবীর প্রথম গাড়ির ব্রান্ডঃ Czech (later renamed to Tatra) পৃথিবীর প্রথম গাড়ির বাজারজাতকরনঃ 1892 পৃথিবীর প্রথম গাড়ী নিয়ে আরও কিছু কথাঃ  পৃথিবীর প্রথম গাড়ীর জনক হিশাবে ইতিহাসের খাতায় Nicolas-Joseph Cugnot এর জায়গা পেলেও তার পূর্বে 1672

আসুন আজ জেনে নিই ফেসবুকের গল্প, জুকারবার্গ-এর হাজারও বাঁধা পেরোনোর গল্প!

জুকারবার্গ-এর হাজারও বাঁধা পেরোনোর গল্প, ফেসবুকের গল্প!

সোশ্যাল জগতের জীবনযাত্রায় ফেসবুক এনেছে এক বিশ্বায়ন। বাংলাদেশের প্রায় ২০% মানুষ আজ ফেসবুকের সাথে জড়িত। এই ফেসবুক জগতে ধনি-গরীব সকলেরই রয়েছে স্ট্যাটাস! সকলেরই রয়েছে লাইক পাওয়ার অধিকার…। বর্তমানে ফেসবুকে রয়েছে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মানুষ! অতএব যেই ফেসবুকের এত চাহিদা তার বাজার দরও বিশাল! মাত্র ১০ বছরেই জুকারবার্গ ইনকাম করেছে প্রায় সাত বিলিয়ন আমেরিকান ডলার। যা

বিশেষ অফারে প্রফেশনালদের সাথে ওয়েব ডিজাইন এবং এসইও শিখার সুযোগ!

ক্রিয়েটিভ অ্যাডভান্স অ্যাডভান্স এসইও কোর্স-এ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

তথ্যপ্রযুক্তি বা ফ্রিল্যান্সিং এ যারা ক্যারিয়ার গড়তে চান তাদের অনেকেই বেছে নেন ওয়েব সম্পৃক্ত বিভিন্ন পেশা। যেমন এসইও, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং। আবার এমনও দেখা যায়, ওয়েবে ক্যারিয়ায় গড়তে অনেকের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তেমন অগ্রসর হতে পারছেন না শুধু সঠিক গাইড লাইনের অভাবে।  একজন ভালো ওয়েব ডেভেলপার/ডিজাইনার হতে আপনাকে এইচটিএমএল, এক্সএমএল, জাভা, জাভাস্ক্রিপ্ট, ড্রিমউইভার প্রভৃতি

এসইও শিখুন অনলাইনে উপার্জন করুন, ক্রিয়েটিভ অ্যাডভান্স এসইও কোর্স!

ফেসবুক ‘লাইক' বলুন, আর টুইটার ‘ফলোয়ার' – দু'টোর প্রতিই মানুষের আগ্রহে কমতি নেই৷ কে কত বড় সেলিব্রেটি, বা কোন পণ্য কত বেশি জনপ্রিয়, সেসবের বিচারেও আজকাল বিবেচনায় আসে লাইকের সংখ্যা৷ তবে আমাদের দেশে জন্য টুইটার কিংবা টুইটারের ফলোয়ার ২টার প্রতিই মানুষের আগ্রহ কম। লাইকের চাহিদা বেশী। তবে এই লাইক কিন্তু বেশ সস্তায় বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশে৷ আর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে মার্কিন বার্তাসংস্থা অ্যাসোসিয়েটস প্রেস (এপি) এক প্রতিবেদনে বলেছে "লাইক বা ক্লিক বাণিজ্যের" আন্তর্জাতিক কেন্দ্র! কি অবাক হচ্ছেন? আমিও প্রথম এই সংবাদগুলো কিংবা শিরোনামগুলো পড়ে খুব অবাক হয়েছিলাম! "বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা 'লাইক বাণিজ্যের' আন্তর্জাতিক বিশ্বের রাজধানী কিংবা বিশ্ব 'লাইক বাণিজ্যের' রাজধানী ঢাকা"! কিন্তু অনেক কস্ট পেয়েছি যখন অনেকেই এই ব্যাপারটাকে নিয়ে উপহাশ করেছিল। কিন্তু আমি বরাবরের মতই আনন্দিত এবং খুশি হয়েছি। এই খুশি হবার পিছের কারন কি জানেন? দুটা জরীপ এবং দুটা তথ্য তুলে ধরি তাহলেই বুঝতে পারবেন এই লাইক বিক্রিতে কিভাবে আমাদের দেশ উপকৃত হতে পারে। ২০১৩ সালে ভুয়া টুইটার ‘ফলোয়ার' বিক্রি করে ২২০ থেকে ২৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো আয় করেছে বিশ্বের অনেক প্রতিষ্ঠান৷ ফেসবুকের ভুয়া লাইক বিক্রি করে ৪০০ মিলিয়নের মতো আয় করেছে অনেক প্রতিষ্ঠান৷ টাকা দিয়ে লাইক কেনার তালিকায় রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পেজও যার জন্য এই খাতে তাদের ব্যায় হয়েছে কয়েক লাখ মার্কিন ডলার৷ আমাদের দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার লাইক প্রতি এক/পাঁচ টাকা বিক্রি করে করে প্রতিমাসে আয় করছে বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্র! আরও কিছু অবাক কর তথ্য দেই ফেসবুকের এই লাইক নিয়েঃ ফেসবুকের বয়স প্রায় ১০ বছর৷ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ সাইট এটি৷ আর এই সাইট ঘিরে ব্যবসা-বাণিজ্যেরও শেষ নেই৷ ফেসবুকের সুবিধা শুধু এর মালিক জুকারবার্গ নয়, নিচ্ছে বিশ্বের প্রায় সব বড় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে দেশী প্রতিষ্ঠানগুলোও৷ হলিউড, বলিউড তারকারাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই৷ কোন অংশে পিছিনেই আমাদের দেশী তারকারাও। আরজে - ডিজে - ভিজে - নায়ক - নাইকা - ভিলেন - নেতা - নেত্রী কেউই মনে হয় আর বাদ নেই! তবে এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতা-নেত্রি আর আরজেরাই তুলনা মুলোক ভাবে বেশী এগিয়ে আছে। অপর দিকে ফেসবুকের সাম্প্রতিক হিসাবে দেখা গেছে, সাইটটি থাকা অনেক পেজই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ঢাকা শহরে৷ ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ফেসবুক পাতায় ভক্তের সংখ্যা প্রায় ৫১ মিলিয়ন৷ এই পাতা সবচেয়ে জনপ্রিয়তা ঢাকায়! একইভাবে ফেসবুকের নিজস্ব নিরাপত্তা পাতা এবং গুগলের ফেসবুক পাতাও লাইকের বিচারে সবচেয়ে জনপ্রিয় ঢাকা! অর্থাৎ এই পেজগুলোতে গড়ে বাংলাদেশ থেকেই সবচেয়ে বেশী লাইক বা একটিভ মেম্বার! বিশ্বাস করা যায়! তাই আমার মতে এতে কোন দোষের কিছুই দেখছি না বরং সোশ্যাল মিডিয়াতে থাকার পাশাপাশি যদি কিছু আয় হয় তাতে খারাপ কি? পার্সনাল সাইটঃ www.menafa.tk । Muhammad Mehedi Menafa ফেসবুক এ আমিঃ fb.com/mehedidamenafa । Mehedi Menafa ব্লগস্পট সাইটঃ mehed3.blogspot.com । Mehedi Menafa's Blog

শুধু মাত্র এই মাসের (মার্চ-এপ্রিল) জন্য “ক্রিয়েটিভ অ্যাডভান্স এসইও কোর্স“-এ অংশগ্রহণ করলে ১,০০০ টাকা ছাড় পাবে অর্থাৎ শুধুমাত্র ৫,০০০ টাকায় আমাদের “ক্রিয়েটিভ অ্যাডভান্স এসইও কোর্স”-টিতে অংশ গ্রহন করতে পারবেন। BLACK iz IT Institute-এর প্রতিটি ট্রেনিং বা কোর্স নিজের্স বই এবং সিলেবাস অনুসরণ করে করান হয়। ফলে  “Creative Advance SEO Course“-এ অংশ গ্রহনকারী প্রত্যেকেই সম্পুর্ন ফ্রিতেই

পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসন – ধারাবাহিক পোস্ট

পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের জনকঃ John Logie Baird পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের জন্মঃ January 1925 পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের বাজারজাত হয়ঃ March 1925 পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসন চ্যানেলঃ BBC ( January 1929 ) পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের দেশঃ ইংল্যান্ড, লন্ডন! টেলিভিসন নিয়ে আরও কিছু কথাঃ টেলিভিসন শব্দ বিশ্লেষণঃ Television এবং সংক্ষেপে TV। টেলিভিসনের জনকঃ যদিও John Logie Baird-কে টেলিভিশনের জনক বলা হয় কিন্তু বাস্তবে বর্তমানের আজ টেলিভিসন যে পর্যায় আছে তার পিছনে অনেক অনেক বিজ্ঞানীর অবদান রয়েছে। পৃথিবীর প্রথম টেলিভিশন এবং আজকের টেলিভিশন নিয়ে কিছু কথাঃ বর্তমানের টেলিভিশনের আর পৃথিবীর প্রথম টেলিভিশনের মধ্যে রয়েছে আঁকাস পাতাল পার্থক্য। বর্তমানে পৃথিবীর প্রথম টেলিভিশনের মূল্য দিয়ে এখন নির্ধিধায় একটা টেলিভিশনের কোম্পানি দেওয়া যাবে। তবে প্রথম সব কিছুই প্রথম অর্থাৎ ইতিহাস, তেমনি পৃথিবীর প্রথম টেলিভিশন আবিস্কারের মাধ্যমে পৃথিবীর ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে বিজ্ঞানী John Logie Baird। তবে বলা বাহুল্য যে পৃথিবীর প্রথম টেলিভিশন আবিস্কারের এই কৃতিত্ত John Logie Baird এর একার নয় বরং তার নামের পাশাপাশি এর দাবীদার রয়েছেন আরও অনেকেরই। একটা সময় দেখা যেত কালার টেলিভিসন কিনলে তার বাসার সামনে লাইন লেগে যেত। তারপর ধীরে ধীরে দেখতে পেলাম সেই সাদাকাল টেলিভিসনগুলো জাদুঘরে ঠাই পেল আর কালার টেলিভিসন এর জয় হল। এর পর আসল ফ্লাট স্ক্রিন। আর এখন চলছে ফ্লাটের পাশাপাশি এইচডি, ল্যাড এবং স্লিমের যুগ। মুছতে শুরু করেছে বক্স টাইপের সেই কালার টেলিভিসনগুলো। কিছুদিনের মধ্যে যে এই বক্স টাইপের টেলিভিসনগুলোও জাদুঘরে চলে যাবে তা আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারছি। কিছু দিন পুর্বেই টেলিভিসন মোবাইলও বাজারে খুব পাওয়া যেত আজ তাও আর নেই। মোবাইলে টেলিভিসন এর যুক্ত হওয়াটা ক্রেতারা ভাল ভাবে নেয়নি ফলে টেলিভিসন যুক্ত মোবাইলগুলো খুদ দ্রুতই মার্কেট আউট হয়ে গিয়েছে। তবে 3G কিংবা 4G এর কারনে অনলাইন মোবাইল টিভি স্ট্রিমিং এর চাহিদা দিন দিন বারছে। বিশেষ করে খেলা চলা কালিন সময়, অনলাইন খেলার (SPORTS) টিভি স্ট্রিমিংগুলোর চাহিদা থাকে তুংগে। বর্তমানে আমাদের দেশেরও মোট জনসংখ্যার বিশাল একাটি অংশ মোবাইলেই কর্ম ক্ষেত্রে বা বাড়ীর বাহিরে প্রয়োজনীয় সময় এসকল অনলাইন টিভির সদ্য ব্যবহার করে থাকে। আমাদের দেশে 4G এর আগমন এবং নেট স্পীড আরও ভাল হলে হয়ত বা খুব দ্রুতই সবার হাতে হাতে পৈছে যাবে এসকল অনলাইনে স্ট্রিমিং টিভিগুলো। আর সেদিন হয়ত বা, বর্তমান যুগের এই টেলিভিসনগুলোও জাদুঘরে চলে যাবে। আর সেদিন হয়ত বা আমরা টেলিভিসন বলতে শুধুই পিসি বা হাতের হ্যান্ডস্যাট-কেই চিনব! আশা করি আমার "পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসন" লিখাটি ভাল লেগেছে। পরবর্তি পোস্ট নিয়ে খুব দ্রুতই ফিরব। আজ এটুকুই। আমার অনলাইন টিভি স্ট্রিমিং : ASIA CUP 2014 LIVE! | tv.black-iz.com আমার ফেসবুকের ঠিকানা : MEHEDI MENAFA | fb.com/mehedidamenafa

পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের জনকঃ  John Logie Baird পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের জন্মঃ January 1925 পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের বাজারজাত হয়ঃ  March 1925 পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসন চ্যানেলঃ BBC ( January 1929 ) পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের দেশঃ ইংল্যান্ড, লন্ডন! পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসন এবং আজকের টেলিভিসন নিয়ে কিছু কথাঃ  বর্তমানের টেলিভিসনের আর পৃথিবীর প্রথম টেলিভিসনের মধ্যে রয়েছে আঁকাস পাতাল পার্থক্য।

১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস । আপনার ভ্যালেন্টাইনের জন্য কিছু উপহার

ধীরে ধীরে সূর্যের আভা দেখা যাচ্ছে । সূর্যের উদয় বার্তা যেন গান গেয়ে যাচ্ছে । প্রকৃতির নিয়ম । পার্থক্য শুধু মেঘলা আকাশে আঁধার ঘনালে,কিংবা শীতের কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়লে সূর্যের দেখা পাওয়া যায় না । আমার জীবনটাও যেন ঠিক তেমন সরল ছকে বাঁধা । নিরষ একজন মানুষ । প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ঝিম মেরে পড়ে থাকা । লেখাপড়া,ভবিষ্যত নিয়ে কোনো চিন্তা নেই । এই অসুখ তো আমার চিরদিনের না । অল্প কিছুদিনের । মরণব্যাধির অসুখ । তিলে তিলে মৃত্যু ঘটতে পারে । অনেকে বেঁচেও আসে এই মৃত্যুর দুয়ার থেকে । ছোটবেলা থেকে সাদামাটা জীবনের মধ্যে দিয়ে জীবন পাড় করেছি । চারিদিকের নানা রঙের মাঝে চোখ ঝলসায় নি কোনদিন । হঠাৎ একটি রঙিন ছবি মনে গেঁথে গেল । জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত রঙে ভরে উঠল । একটি মায়াবী মুখ,মায়াবী চোখের চাহনী আর তার মাঝে লুকিয়ে থাকা এক নীরব চঞ্চল মন দেখে মনে নাড়া দিয়ে উঠল । তন্দ্রা নামের সেই মেয়ে আজ আমায় পুরোপুরি মোহবিষ্ট করে রাখে । তার সুন্দর কন্ঠ শুনবার তাগিদে বার বার তাকে কল করার ইচ্ছা নেশার মত হয়ে দাড়িয়েছে । মনে পড়ে প্রথম দেখার কথা । হাসিখুশি চেহারা । যা হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করে দিয়ে যায় । সেদিন ছিল তার জন্মদিন । গোলাপী রঙের জামা পড়েছিল সেদিন । যেন গোলাপি রঙের কোনো ফুল । যার চোখের চাহনী তীরের মত বিদ্ধ করে প্রতিটি মূহুর্তে । জন্মদিন থেকে ফিরে ওকে নিয়ে ভাবনা শুরু । এক সময় নিজের অজান্তে ভালোবেসে ফেলা তাকে । তার মায়াবী চোখ,ঠোঁটের সেই হাসি কোনোমতেই পিছু ছাড়ছে না । রাকিব কে জানাই এ ব্যাপারে । রাকিব বলে উঠে, "শোভন মামু, তুমি তো প্রেমে পড়ছো । এইটাও বুঝো নাই । কইয়া ফালাও মনের কথা । বলতে চাই আমি । কিন্তু পারিনা । তোমার নীরবতা আমাকে আরও নীরব করে । তোমার মায়াবী চোখের পানে তাকালে আমার কথা এলোমেলো হয়ে যায় । যতবার বলতে চাই,ততবার এক অজানা আতঙ্কে ভুগি । পারি না কেন? মোবাইল বার বার দেখি । তোমাকে কল করি । মেসেজ দেই । তুমি কি কিছুই বুঝো না । দেখতে দেখতে বৃষ্টি নামে । চারিদিকে আঁধার ঘনিয়ে আসে । কিছুতে মন বসে না । বারান্দাতে বসে হাত বাড়িয়ে দেয় শোভন ছুঁয়ে দেখে বৃষ্টি । তন্দ্রাও কি এখন বৃষ্টি ছুয়ে দেখছে? 'শোভন কি আমায় ভালোবাসে? ওর কিছুদিনের ব্যবহারে মনে হয় আমাকে কিছু বুঝাতে চাইছে ।' বারান্দায় দাড়িয়ে বৃষ্টি দেখতে দেখতে ভেবে চলেছে তন্দ্রা । ফোঁটা বৃষ্টির ছোঁয়া নরম গাল ছুঁয়ে দিয়ে যাচ্ছে । আনমনে ভেবে চলে তন্দ্রা । 'শোভন কেন বন্ধুত্বকে অপমানিত করবে? কত ভালো বন্ধুত্ব আমাদের ' বৃষ্টির ছোঁয়া দুজনকেই সিক্ত করে যায় । মোবাইলের রিংটোন বেজে চলেছে শোভনের । খেয়াল নেই । তার ভাবনা এখন গভীরে । রাতে মোবাইল চেক করে দেখে অনেকগুলো মিসড কল । তন্দ্রার । কল ব্যাক করে । 'হ্যালো তন্দ্রা বল,ব্যস্ত ছিলাম কল ধরতে পারি নি ।' 'কাল দেখা করতে পারবি?' 'কোথায়?' 'যেখানে বলবে ।' ভয়ানক অসুখ শোভনের । ভালোবাসার । তন্দ্রার প্রতি ভালোবাসা । এটাই অসুখ । এই অসুখ কোনোদিনও যাবে না । পাশাপাশি বসে দুজন । চারিদিকে পাখির ডাক,গোলাপের সুবাস । এক মধুর পরিবেশ । বিন্দু ঘাম জমেছে কপালে । হঠাৎ তন্দ্রা বলে উঠে, "আজ তোকে কেন ডেকেছি জানিস?" মাথা নেড়ে না বলে শোভন । অনেকক্ষণ নীরব থাকে দুজন । শুধু পাখির কলতান । "তুই কি আমাকে ভালোবাসিস?" তন্দ্রা প্রশ্ন করে । "হুম" "বলিস নি কেনো কোনোদিন?" "ভয় করে ।" হঠাৎ তন্দ্রাকে অচেনা মনে হয় । কি করবে বুঝতে পারে না শোভন । "ভালো থাকিস । আমাদের বন্ধুত্ব এখানেই শেষ । নিজের যত্ন নিবি ।" উঠে যায় তন্দ্রা । শোভন তাকিয়ে থাকে তন্দ্রার চলে যাবার দিকে । ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় দূরে । চারিদিকে কেমন যেন আঁধার ঘনিয়ে এসেছে । বেদনার সুরধ্বনি বাজছে । একাকীত্ব আঁকড়ে ধরেছে । হারানোর বেদনায় পাখির মধুর ডাকগুলো করুণ লাগছে । রাত ১১টা ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিতে ইচ্ছে করছে শোভনের । দিয়েই কি লাভ? সব আজ অর্থহীন । কষ্টে পাথর হয়ে গিয়েছে যেন । ওয়ালে একটা পোষ্ট । "ইনবক্ষ চেক কর" ইনবক্সে মেসেজ পড়তে থাকে, "তোকে অনেক ভালো বন্ধু ভাবতাম । খুব কাছের । এটা কি করলি তুই? আমি জানি আমাদের মাঝে এই ভালো বন্ধুত্বটা আর থাকবে না । তাই আজ বন্ধুত্বটা এখানেই শেষ করে দিয়েছি । কারণ আজ থেকে আমাদের মাঝে বন্ধুত্ব নামক গলার কাঁটা আর থাকবে না । আজ থেকে আমাদের ভালোবাসার সম্পর্ক শুরু । ভালোবাসি তোকে । তোর তন্দ্রা ।" কি বলবে বুঝতে পারে না শোভন । শুধু চোখ দিয়ে দুফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে চলে । আজ কাঁদতে চায় শোভন । - কাজী ফরিদুল হাসান শাওন

১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। মনের গভীরে জমে থাকা ভালোবাসা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে নানা কায়দায় প্রকাশ করছে তার প্রিয় মানুষের কাছে। আর তাই বিশ্ব ভালোবাসা দিবসটি সবার মনকে ভালোবাসার রঙে রাঙিয়ে দিতে বছর ঘুরে আসছে ভালোবাসা দিবস প্রিয় মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম উপায় উপহার। যদিও তিন বছর আগে ছ্যাকা খাওয়ার পর এখন পর্যন্ত আমার

আর নয় দুঃখ, আর নয় কস্ট! এসে গিয়েছে হ্যাপি পিল, একটা খেলেই দুঃখ শেষ!

হার জিত নিয়েই আমাদের জীবন। তবুও আমরা অল্প কোন কিছুতেই মন খারাপ করে ফেলি। এই যেমন আজ বাংলাদেশ জিততে জিততেই হেরে গেল! আমাদের সকলেরই কমবেশী মন খারাপ হয়েছে। এতে আমরা দুঃক্ষে ভুগতে শুরু করি। আবার একটি মাত্র কাজে বিফল হয়ে গেলেই নিজেদের ব্যর্থ মনে করি। ভাবতে থাকি আমাদের দিয়ে কিছুই হবে না, আমরা জীবনে কিছুই