BLACK blog এ আপনাকে স্বাগতম! আপনি হতে পারেন BLACK blog পরিবারের নিয়মিত একজন সদস্য। আপনার লেখা প্রকাশ করতে পারেন আমাদের যেকোন বিভাগে। আমাদের বিভাগ সমূহঃ " পৃথিবী আজব ঘটনা, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, গুনিজন কহেন, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা" যে কোন বিষয় সম্পর্কে। ধন্যবাদ - BLACK iz Limited এর পক্ষ থেকে! অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ,  পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, গুনিজন কহেন, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা

ক্যারিয়ার যখন এসইও !

ক্যারিয়ার যখন SEO

তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় কাজের ক্ষেত্র এখন বিশ্বব্যাপি । কম্পিউটার ইন্টারনেটের এই যুগে প্রথাগত চাকরির ধরণ পাল্টে যাচ্ছে! ধারণা করা হচ্ছে, আগামী দিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিসগুলো হবে ভার্চুয়াল অফিস। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই প্রতিষ্ঠানটির সকল এমপ্লয়ি অফিসের সমস্ত কার্যক্রম শেষ করবেন। এই পরিবর্তণের ছোয়া লেগেছে বেশ আগেই। সময়ের পরিবর্তনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ঘরে বসে আয়ের মাধ্যমগুলো। আয়ের এই মাধ্যমকে অনেকেই পেশা হিসেবে নিচ্ছেন।
বর্তমান সময়ে একটি ওয়েবসাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময় এবং কাজের ধরনের এই পরিবর্তনে যুগোপযোগি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যারা এই পেশার সঙ্গে জড়িত তাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার বলা হয়।  ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের অসংখ্য কাজ। এ কারণেই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (এস ই ও) ক্যারিয়ারের দিকে বর্তমানে অনেকেরই আগ্রহ সৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনার অভাবে তারা তাদের কাক্সিক্ষত লক্ষে পৌঁছাতে পারে না। আজকের এই ফিচারের মাধ্যমে আপনারা ধারণা পাবেন কীভাবে আপনার এসইও ক্যারিয়ার শুরু করবেন এবং এতে সফলতা অর্জন করবেন। এই ধাপগুলো অনুসরণ করে সে অনুযায়ী কাজ করলে আশা করা যায় এসইও ক্যারিয়ারে আপনার সফলতা নিশ্চিত।

ক্যারিয়ার যখন SEO

এসইও কি?
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে এক কথায় প্রকাশ করতে হলে বলতে হবে  অনলাইন মার্কেটিং । এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো মূলত সার্চ ইঞ্জিনকে ঘিয়েই শকল কাজ ।  ইন্টারনেট ব্যাবহারকারিরা প্রতিদিন নানা কাজে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। সেটি কোন প্রতিষ্ঠান এর তথ্য থেকে শুরু করে সফটওয়্যার, মুভি কিংবা গানও হয়ে থাকে।বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে গুগল। বিশ্বের অসংখ্য মানুষ তথ্যের প্রয়োজনে এটা ব্যবহার করে থাকে। গুগল সার্চ ইঞ্জিন এ যখন কোন কাঙ্খিত বিষয় নিয়ে সার্চ দেত্তয়া হয় তথন অনেকগুলো সাইটের ঠিকানা চলে আসে। প্রথম সারিতে থাকা সাইটগুলোতেই আমরা সাধারনত বেশি ক্লিক করে থাকি। কিন্তু প্রতিদিনই হাজার হাজার নতুন নতুন সাইটের জন্ম হচ্ছে। এসবের মধ্যে থেকে কোন সাইটকে আমরা বেছে নেব? স্বাভাবিক ভাবেই সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পৃষ্ঠায় থাকা সাইটগুলোই সবাইকে আকৃষ্ট করে থাকে। আর সার্চ ইঞ্জিনগুলো তথ্য উপাত্তের দিক দিয়ে সমৃদ্ধ সাইটগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। এই সুযোগ-সুবিধা গুলো পাত্তয়ার জন্য সাইটটিকে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে আনা প্রয়োজন। এতে করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যবহারকারীকে পাত্তয়া সম্ভব সাইটে। সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটকে অর্ন্তভূক্ত করে সারা বিশ্বের ব্যবহারকারীদের সামনে নিজের সাইটকে পরিচিত করার পদ্ধতিই হচ্ছে SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।

কাজের ক্ষেত্র ও আয়
ক্যারিয়ার যখন এসইওএকজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারের কাজের ক্ষেত্রের অভাব নেই। প্রথম দিকে  ওডেস্ক.কম, ফ্রিল্যান্সার.ডট, গুরু.ক, ইল্যান্স.ডটকম সহ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ শুরু করতে পারেন। এসব সাইটে প্রতিমুহুর্তে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের হাজার হাজার কাজ যোগ হচ্ছে। ওডেস্ক.কম সাইটে দেখা গেছে প্রায় সবসময়ই সাইটটিতে ৭/৮ হাজারের অধিক সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ রয়েছে। ফ্রিল্যান্সার.কম সাইটিতেও দুই হাজারের অধিক প্রজেক্ট রয়েছে। এগুলো ঘন্টাচুক্তিতে বা ফিক্সড প্রাইসে করা যায়।  এছাড়া সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারকে সম্ভব হলে লোকাল মার্কেটের কিছু কাজ করে নিজস্ব ব্র্যান্ডিং ভ্যালু বাড়ানো উচিত। এতে জাতীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে কাজ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা থাকে। এছাড়া প্রথমদিকের কাজগুলো ভালোভাবে সম্পন্ন করে রেপুটেশন ভালো করতে পারলে বায়ার খুশি হবে। এরপর তারা প্রয়োজনে আপনাকেই খুঁজে কাজ দেবে। মার্কেটপ্লেসের বাইরে কাজ করতে পারলে আপনার আয়ের পরিমানও বাড়তে পারে। তাই যথাসম্ভভ ভালোভাবে কাজ করা উচিত।  অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে সাধারণত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের যে কাজগুলো পাওয়া যায় তার মধ্যে কোনো সাইটকে গুগলের ১ নম্বর র‌্যাংকিং এ আনা, ফোরাম পোস্টিং, লিংক বিল্ডিং, সাইটের অনপেজ অপটিমাইজেশন, বুকমার্কিং সহ বিভিন্ন কাজ। একটি সাইটকে গুগলের প্রথম পেজে আনতে সাইটের কিওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে সাধারণত ২০০ থেকে ১০০০ হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। এছাড়া অন্যান্য কাজগুলো করে ঘন্টায় নূর্ণতম ২ ডলার থেকে শুরু করে ২০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে। এছাড়া ফিক্সড প্রাইসে ফোরাম পোস্টিং, লিংক বিল্ডিং, ব্যাক লিংক বা বুকমার্কি করে ১০ ডলার থেকে শুরু করে ২০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। তবে এখানে মূলত আপনার কত সময় লাগবে এবং কোন কিওয়ার্ডের উপর কাজ করতে হবে সেটির উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণত একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজের মাসে অনায়াসেই ২০/৩০ হাজার থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন।

যেভাবে শিখবেন এসইওঃ
নিচের ফিচারের মাধ্যমে আপনারা ধারণা পাবেন কীভাবে আপনার এসইও ক্যারিয়ার শুরু করবেন এবং এতে সফলতা অর্জন করবেন। এই ধাপগুলো অনুসরণ করে সে অনুযায়ী কাজ করলে আশা করা যায় এসইও ক্যারিয়ারে আপনার সফলতা নিশ্চিত। তাহলে চলুন এই ধাপগুলো দেখে নেয়া যাক

১। এসইও জগতে আপনাকে অধিকাংশ জিনিসই নিজে শিখতে হবে। এক্ষেত্রে গুগল আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। ইন্টারনেটের বিশাল ভাণ্ডারে আপনি খুঁজে পাবেন এসইও শুরুর ওপর অসংখ্য আর্টিকেল। আপনি এগুলো পড়েই যাত্রা শুরু করতে পারেন।
২। বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস আসার পর অনেকেরই এইচটিএমএল শেখার আগ্রহ কমে গিয়েছে। আপনি মনে করতে পারেন এসইও-তে এইচটিএমএল এ কোনো প্রয়োজন  নেই কিন্তু কাজের সময় আপনাকে অনেক সময় এইচটিএমএল ও ব্যবহার করতে হবে তাই অন্তত এইচটিএমএল-এর ব্যাসিকগুলো  জেনে রাখা ভালো।
৩। যা শিখলেন তা অনুশীলন করতে থাকুন। মনে রাখবেন অনুশীলন ছাড়া এসইও-তে সফল হওয়া যাবে না। অনুশীলনের জন্য প্রথমে আপনি একটি ফ্রি ব্লগ খুলে নিয়ে সেই ব্লগের ওপর এসইওর বিভিন্ন টেকনিক প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। এভাবে একটি সাইটকে ভালোভাবে দাঁড়া করাতে পারলে পরবর্তীতে সেই সাইট থেকেও আয়ের সম্ভাবনা থাকে।
৪। সার্চ ইঞ্জিনগুলোর পলিসি নিয়মিত পরিবর্তীত হতেই থাকে তাই এসইও-তে পুরোনো কৌশল তেমন কাজে লাগে না। আর তাই সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদমের পরিবর্তনগুলো আপনাকে সময়মতো জানতে হবে এবং গুগলের অ্যালগরিদম-এর পরির্তনগুলো জেনে আপটুডেট রাখতে হবে নিজেকে ।  
৫। নিয়মিত এসইও সম্পর্কিত ফোরামগুলো ভিজিট করুন এবং এসব ফোরামে প্রশ্ন-উত্তরে অংশগ্রহণ করে আপনার দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
৬। একটি ভালো প্রতিষ্ঠান হতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন। আপনি নিজে হয়তো অনেক কিছুই শিখতে পারবেন কিন্তু একটি ভালো ট্রেনিং সেন্টার এ প্রফেশনাল ট্রেইনার দের কাছ থেকে হাতে-কলমে শিখলে তা আপনার জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করবে। এছাড়া এর মাধ্যমে আপনার দক্ষতা একটি একাডেমিক স্বীকৃতিও পাবে।
৭। এসইও জগতের প্রফেশনালদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। সিনিয়রদের কাছ থেকে মাঝে মধ্যে এমন কিছু তথ্যও পেতে পারেন যা আপনার ক্যরিয়ারে এক বিশাল পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
৮। বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়া যেমন- ফেইসবুক, টুইটার, লিংকডইন, গুগল প্লাস ইত্যাদি ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন কারণ মার্কেট প্লেসে অনেকসময় এসব স্যোসাল মিডিয়ার অভিজ্ঞতাও প্রয়োজন হয়। এছাড়া এসব থেকে অনেক কিছু শেখারও আছে।
৯। মার্কেট প্লেসে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম দিকে কিছুটা ঝামেলা হয়। এক্ষেত্রে হাল না ছেড়ে দিয়ে আপনার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। প্রয়োজন হলে একই জাতীয় ছোট ছোট কাজগুলো করে ভালো ফিডব্যাক জমা করে তারপর বড় কাজগুলো শুরু করুন।
১০। এসইও-তে জানার কোনো শেষ নেই। আপনি এসইওতে যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন নিয়মিত আরও কিছু জানার চেষ্টা করুন। এসইও সম্পর্কিত ব্লগগুলো নিয়মিত পড়–ন। ওপরের ধাপগুলো বারবার পুনরাবৃত্তি করতে থাকুন তাহলে একসময় দেখবেন সফলতা আপনার হাতে ধরা দেবেই।

নিজেকে আরও প্রস্তুত করতে নিতে পারেন এসইও প্রশিক্ষণঃ
এসইওয়ের নির্দিস্ট কোন কৌশল শেখার চেয়ে তার মূল বিষয়গুলো খুব ভালো করে বোঝা দরকার তাই সেই বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে ক্লাস করে বারিয়ে নিতে পারেন আপনার স্কিল । ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে এসইও’র সঙ্গে আয়ের একটি বিশাল ক্ষেত্র জড়িত। যারা এসইও প্রফেশনাল হতে চাইবে তাদের শিখার পরিধি আর যারা নিজের সাইটের এসইও করতে শিখতে চাইবে তাদের শেখার পরিধি একই রকম নয়। তাই যারা প্রফেশনাল হতে চায় তাদের আসলে অনেক বিস্তারিত বিষয়গুলো পড়তে ও জানতে হয়।

এসইও শেখার আগেই আপনাকে এসইওয়ের ভবিষ্যত সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারনা থাকা দরকার।  পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে বেছে নিলে অবশ্যই এই ক্ষেত্রে ভালোভাবে দক্ষ হতে হবে। ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে হাতে কলমে শিখতে পারেন । সবথেকে বড় কথা হলো কোনো কাজ ভালোভাবে না শিখে কাজ করতে মাঠে নেমে যাওয়া উচিত নয়। তাহলে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি  প্রতিষ্ঠান সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে।

এরমধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে সবচেয়ে বেসি এসইও ট্রেনিং দেয়া প্রতিষ্ঠান BLACK iz IT Institute এই প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।  যদি আপনি কোন কারনে কোর্সে জয়েন না করতে পারেন তাহলে লক্ষ রাখুন ওদের ফেচাবুক ফ্যান পেইজ অথবা গ্রুপে যেখানে এসইও সম্পর্কিত অনেক হেল্প ফুল পোস্ট সেয়ার করা হয়।  এছাড়া  ডেভসটিম ইন্সিটিউট ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটিসহ, ক্রিয়েটিভ আইটি  সহ আরো কিছু প্রতিষ্টান রয়েছে যারা এই বিষয়ে সেমিনার ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে।



সর্বশেষ ১২টি:

.