BLACK blog এ আপনাকে স্বাগতম! আপনি হতে পারেন BLACK blog পরিবারের নিয়মিত একজন সদস্য। আপনার লেখা প্রকাশ করতে পারেন আমাদের যেকোন বিভাগে। আমাদের বিভাগ সমূহঃ " পৃথিবী আজব ঘটনা, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, গুনিজন কহেন, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা" যে কোন বিষয় সম্পর্কে। ধন্যবাদ - BLACK iz Limited এর পক্ষ থেকে! অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ,  পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, গুনিজন কহেন, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা

পেটের মেদ কমানোর ৮টি অব্যর্থ কৌশল

পেটের মেদ কমানোর ৮টি অব্যর্থ কৌশল

পেটের মেদ কমানোর ৮টি অব্যর্থ কৌশল

একটু বাড়তি ওজন দেখতে খারাপ না হলেও পেটের মেদ দেখতে একটু বেশিই খারাপ লাগে। কিন্তু এই পেটের মেদ আমাদেরই কিছু অনিয়ম এবং খারাপ খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। একটু-আধটু মেদ সাধারণ ডায়েট এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে কমিয়ে ফেলা গেলেও বেশি মেদ জমলেই সমস্যা। কিছুতেই কমানো যায়না না, বরং বাড়তেই থাকে এই পেটের মেদ। কিন্তু মেদ কমানোর উপায় তো বের করতে হবে। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল পেটের মেদ দ্রুত ও সহজে কমানোর ৮টি দারুণ সহজ ও “অব্যর্থ” কৌশল।

 লেবু গরম পানি দিয়ে দিন শুরু
সকালে খালি পেটে খান এক গ্লাস লেবু পানি খান। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে একটু লেবু চিপে নিয়ে এতে ১ চিমটি লবণ মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। প্রতিদিন নিয়ম করে পান করুন লেবু গরম পানি। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড এবং গরম পানি উভয়ই পেটের মেদ কাটাতে সাহায্য করে।

ভাতে এর বিকল্প খোঁজ করুন

ভাতের পুরোটাই পেটে মেদ হিসেবে জমা হয়। ভাতের বদলে লাল আটার রুটি খান। মেদ কমবে। যদি ভাত খেতেই হয় তবে এক কাপের বেশি ভাত খাবেন না।

চিনিযুক্ত খাবার খাবেন নাdownload
যেসব খাবারে চিনি রয়েছে সেসব খাবার বর্জন করুণ। চিনি জাতীয় খাবার পেটে মেদ জমায়। চিনির বদলে মধু ব্যবহার করুণ।

প্রতিদিন ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন

পেটের মেদ দ্রুত কমাতে হলে তবে অবশ্যই প্রতিদিন ৬-৮ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে। পানি হজম প্রক্রিয়া দ্রুত করে এবং দেহের টক্সিন দূর করে পেটের মেদ কমতে সাহায্য করে।

কাঁচা রসুন খান
গন্ধের কারণে অনেকেই কাঁচা রসুন খেতে চান না। কিন্তু যদি দ্রুত পেটের মেদ কমাতে হলে নিয়মিত কাঁচা রসুন খাবার অভ্যাস করতে হবে। কাঁচা রসুন দেহের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় ও মেদ ক্ষয় হতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ২/৩ কোয়া রসুন খাবার অভ্যাস তৈরী করুণ।

বেশী শাকসবজি খাবার অভ্যাস করুন

অনেকরই মাছ-মাংসের প্রতি বেশি আগ্রহ থাকে । এবং সবজি খাবার কথায় অনীহা প্রকাশ করেন। কিন্তু মাছ মাংসে প্রোটিনের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে যা দেহে মেদ জমায়। শাকসবজিতে আছে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং পরিমিত ফাইবার। তাই পেটে মেদ জমতে দিতে না চাইলে শাকসবজি খান। মাছমাংসের পরিমাণ কমিয়ে দিন।
মৌসুমি ফলমূল খান
সকালে, দুপুর, বিকাল এবং রাতের খাবারের তালিকায় ১ বাটি ফল রাখুন। এতে আপনার কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট খাওয়া কম হবে। ফলে আপনি দ্রুত মেদ কমাতে পারবেন। ফলের জুস ফ্যাট বাড়ায়। কারণ জুসে ফলের কোন ফাইবার থাকে না এবংস্বাদের জন্য এতে কিছুটা মিষ্টি যোগ করা হয়। তাই ফলেরজুসের পরিবর্তে ফল খান।

খাবারে যোগ করুন কিছু মসলা
দারুচিনি, আদা, গোল মরিচ এই জাতীয় মসলা যুক্ত খাবার খান। এইসব মসলা দেহের সুগার লেভেল কমায়। রান্নায় দারুচিনি, আদা ও গোল মরিচ যোগ করে রান্নার স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দিন পাশাপাশি কমিয়ে নিন পেটের মেদ।



সর্বশেষ ১২টি:

.