BLACK blog এ আপনাকে স্বাগতম! আপনি হতে পারেন BLACK blog পরিবারের নিয়মিত একজন সদস্য। আপনার লেখা প্রকাশ করতে পারেন আমাদের যেকোন বিভাগে। আমাদের বিভাগ সমূহঃ " পৃথিবী আজব ঘটনা, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, গুনিজন কহেন, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা" যে কোন বিষয় সম্পর্কে। ধন্যবাদ - BLACK iz Limited এর পক্ষ থেকে! অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ,  পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা, গুনিজন কহেন, অন্যান্য এবং আরও কিছু, পৃথিবী আজব ঘটনা, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫, গুনিজন কহেন , জন্মদিনের উইস করার এসএমএস, সমস্যা পরামর্শ সমাধান , মেয়েদের মেহেদি ডিজাইন, বাচ্চাদের নাম , পৃথিবীর ঐতিহাসিক প্রবাদ, পর্দার পেছনের ঘটনা, যত অদ্ভুত আবিস্কার , কাল্পনিক কল্পনা

২০শ শতাব্দী বাংলাদেশ ক্রিকেট

বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) সহযোগী সদস্যে পরিণত হয়। পরবর্তীতে রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে। চার ম্যাচের দু’টিতে তারা হেরে যায় এবং দু’টিতে জয়লাভ করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। গাজী আশরাফ হোসেন লিপু’র নেতৃত্বে এশিয়া কাপ ক্রিকেটে ১৯৮৬ সালের ৩১শে মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করে।

Shakib-Al-Hasan-appeals-unsuccessfuly11

১৯৮৬ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখে। এটা সেই দলের ছবি। আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করে। এটাই ছিল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা।ভয়াবহ বন্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আয়োজক হিসেবে সফলতার পরিচয় দেয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম জয়ের দেখা পায় ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ ২২ খেলায় হারের পর মোঃ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩টি উইকেট) কেনিয়ার বিপক্ষে ভারতে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ এই জয়লাভ করে।[১] আতহার আলী খান-মোহাম্মদ রফিক জুটি ১৩৭ রান গড়েছিল। আতহার আলী খান করেন ৪৭ রান।[২] পরবর্তীতে অক্টোবর মাসে আইসিসি নক-আউট ট্রফি আয়োজন করে বাংলাদেশ যেখানে সকল টেস্ট খেলুড়ে দল এই একদিনের আন্তর্জাতিক নক-আউট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জেতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার নিয়মিত সদস্য পদ লাভ করে। প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেই বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশ। দলের অসাধারণ ফিল্ডিং এবং খালেদ মাহমুদের ব্যক্তিগত বোলিং (৩/৩১) নৈপুণ্যে বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা বিবেচিত হন খালেদ মাহমুদ। স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারানোর পরও বাংলাদেশ বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে যেতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু এই জয় বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক টেস্ট দলের সদস্য হতে সহায়তা করে।

§টেস্ট দল হিসাবে প্রথম বছর (২০০০-২০০৩)[সম্পাদনা]
২০০০ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নাইমুর রহমানের অধিনায়কত্বে প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে পা রাখে। ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি (১৪৫) করে অস্ট্রেলিয়ার চার্লস ব্যানারম্যান ও জিম্বাবুয়ের ডেভিড হটনের পাশে নাম লেখান আমিনুল ইসলাম। অধিনায়ক নাইমুর রহমানের ১৩২ রানে ৬ উইকেট অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে কোনো বোলারের সেরা বোলিং। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে হেরে যায়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোর এসএসসিতে অভিষেক টেস্টে ১৭ বছর ৬১ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েন মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচি টেস্টে প্রথমবারের মতো প্রথম ইনিংসে লিড নেয় বাংলাদেশ। মুলতানে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে জিততে জিততে ১ উইকেটে হেরে বসে তারা। এই সিরিজে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম হ্যাট্রিক করে অলোক কাপালি। টানা ২১ টেস্ট হারার পর হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে ২য় টেস্টে ড্র করতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ যদিও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৩দিন খেলা বন্ধ থাকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০৪ সালে সেন্ট লুসিয়া টেস্টে তিন ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরির কল্যাণে প্রথম নিজেদের কৃতিত্বে ড্র করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে হাবিবুল বাশার ও মোহাম্মদ রফিকের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন খালেদ মাসুদ। চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ ২০০৫ সালে। ম্যাচ সেরা হন এনামুল হক জুনিয়র। সিরিজের অপর টেস্টটিও অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। টেস্ট ইতিহাসে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে প্রথম ইনিংসে ১৫৮ রানের লিড নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩ উইকেটে পরাজয় হয় বাংলাদেশের। ২০০৯ সালে দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের। শীর্ষস্থানীয় সব খেলোয়াড় ধর্মঘটে যাওয়ায় নতুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দুই টেস্টেই জয় পায় বাংলাদেশ।



সর্বশেষ ১২টি:

.